আগামী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করছে সরকার। নির্বাচন শুরু হলে পরবর্তী ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। এ সময় তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ তৈরি করেছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন—প্রতিটি নির্বাচনের জন্য পৃথক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এসব রোডম্যাপ চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে।
তিনি জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং অক্টোবরের প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে বাকি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে, যা ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আগামী ৫ আগস্টের আগেই ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে সোমবার এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে অক্টোবরকে লক্ষ্য করে কমিশন প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রাক্-প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।
