
আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব কাঁঠাল দিবস। বিশ্বের বৃহত্তম বৃক্ষজাত ফল হিসেবে পরিচিত কাঁঠাল শুধু সুস্বাদু ফলই নয়, বরং পুষ্টিগুণ, কৃষি সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণেও দিন দিন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে কাঁঠালের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়ে নানা উদ্যোগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দেশের প্রায় সব অঞ্চলে এটি উৎপাদিত হলেও গাজীপুর, নরসিংদী, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিলেট ও পার্বত্য অঞ্চলে এর চাষ তুলনামূলক বেশি। কাঁচা কাঁঠাল সবজি হিসেবে এবং পাকা কাঁঠাল ফল হিসেবে সমান জনপ্রিয়। এছাড়া কাঁঠালের বিচিও পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, খাদ্যআঁশ এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজমে সহায়তা করতে এবং সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।
কৃষিবিদরা বলছেন, আধুনিক সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে কাঁঠাল থেকে চিপস, জ্যাম, জুস, মিষ্টান্ন, ময়দা এবং বিভিন্ন মূল্যসংযোজিত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিশ্ব কাঁঠাল দিবসের মূল বার্তা হলো—স্থানীয় এই পুষ্টিকর ফলের উৎপাদন, ব্যবহার ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করা এবং টেকসই কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তায় কাঁঠালের গুরুত্ব তুলে ধরা। বাংলাদেশের জন্যও এটি জাতীয় ফলকে বিশ্ববাজারে আরও পরিচিত করে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
শহীদুল্লাহ ভূঁইয়া
সহযোগী সম্পাদক: তোফায়েল আহমেদ
অফিস: সম্পাদক কর্তৃক আজমিরী প্রেস, নিউমার্কেট চান্দিনা প্লাজা, কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ও ১৩০৭, ব্যাংক রোড, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। ফোন: ০২৩৩৪৪০৭৩৮১, মোবাইল: ০১৭১৫-৬৮১১৪৮, সম্পাদক, সরাসরি: ০১৭১২-২১৬২০২, Email: laksambarta@live.com, s.bhouian@live.com