
জাপানের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে নতুন করে অগ্রগতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ মেট্রোরেল প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব জাপানি কনসোর্টিয়ামের কাছে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তবে প্রকল্পগুলোর ব্যয় নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে আনার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির কারণ বিশ্লেষণ করবে এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক মানের পরামর্শক নিয়োগের সুপারিশ করবে। পাশাপাশি আলোচনার মাধ্যমে প্রকল্প ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন মেট্রোরেল প্রকল্পগুলোর ব্যয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে। তাই বাস্তবায়নের গতি বজায় রাখার পাশাপাশি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী, টার্মিনাল পরিচালনা থেকে অর্জিত রাজস্বের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপানি কনসোর্টিয়াম এবং বাকি ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে।
অন্যদিকে জাপানের ঋণের সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঋণের শর্ত আরও সহনীয় করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ব্যয় যাতে স্বচ্ছ ও যৌক্তিক থাকে, সেদিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
শহীদুল্লাহ ভূঁইয়া
সহযোগী সম্পাদক: তোফায়েল আহমেদ
অফিস: সম্পাদক কর্তৃক আজমিরী প্রেস, নিউমার্কেট চান্দিনা প্লাজা, কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ও ১৩০৭, ব্যাংক রোড, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। ফোন: ০২৩৩৪৪০৭৩৮১, মোবাইল: ০১৭১৫-৬৮১১৪৮, সম্পাদক, সরাসরি: ০১৭১২-২১৬২০২, Email: laksambarta@live.com, s.bhouian@live.com