
নিউ ইয়র্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫: বন্দুকধারীর হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। নিহতের পরিবারের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁদের হাতে স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।
সোমবার রাতে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ইসলাম ও আজহান ইসলাম, ভাই কামরুল হাসান, ভাইয়ের ছেলে আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম ও চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পত্রিকায় ঘটনাটি পড়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে হলো। টিভিতে দেখেছি, নিউ ইয়র্কে তাঁর শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছিল। বহু মানুষের শোক-শ্রদ্ধা-ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। তাই নিউ ইয়র্ক সফরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করাকে আমরা জরুরি মনে করেছি।”
পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম নিউইয়র্ক পুলিশের একজন দায়িত্বশীল ও প্রশংসিত কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০২১ সালে পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে কর্মরত ছিলেন। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের পার্ক অ্যাভিনিউতে এক বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। ওইদিন এক তরুণ বহুতল করপোরেট ভবনের ভেতরে এলোপাতাড়ি গুলি চালানোর সময় দিদারুল জীবন ঝুঁকিতে ফেলে হামলাকারীকে থামানোর চেষ্টা করেন। এসময় তিনি একাধিক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরে বন্দুকধারী নিজেও আত্মহত্যা করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক:
শহীদুল্লাহ ভূঁইয়া
সহযোগী সম্পাদক: তোফায়েল আহমেদ
অফিস: সম্পাদক কর্তৃক আজমিরী প্রেস, নিউমার্কেট চান্দিনা প্লাজা, কুমিল্লা থেকে মুদ্রিত ও ১৩০৭, ব্যাংক রোড, লাকসাম, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত। ফোন: ০২৩৩৪৪০৭৩৮১, মোবাইল: ০১৭১৫-৬৮১১৪৮, সম্পাদক, সরাসরি: ০১৭১২-২১৬২০২, Email: laksambarta@live.com, s.bhouian@live.com