👁 119 Views

মুরাদনগরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক জেল হাজতে

            নিজস্ব প্রতিনিধি\ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে আল আমিন মোল্লা (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২৪শে ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের রামধনীমুড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার সকালে অভিযুক্তকে কুমিল্লা বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

            মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৯শে ফেব্রæয়ারি ওই প্রবাসীর স্ত্রী তার শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ওৎ পেতে থাকা আল আমিন মোল্লা কৌশলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে তাকে মুরাদনগর সদরের রামধনীমুড়া এলাকার একটি গোপন ভাড়া বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

            এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করতে এবং আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে পরদিন ২০শে ফেব্রæয়ারি কুমিল্লা আদালতে নিয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে একটি বিয়ের নাটক সাজান আল আমিন। ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ওই কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

            গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন মোল্লা উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পান্ডুঘর গ্রামের আলী মোল্লা ওরফে অলি ড্রাইভারের ছেলে। তিনি বর্তমানে মুরাদনগর সদরের রামধনীমুড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।

            ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি মুরাদনগর থানাকে অবহিত করা হলে পুলিশ দ্রæত অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত আল আমিনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার ২ সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

            মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করি এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করি। বুধবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত বাকি ২ সহযোগীর নাম পাওয়া গেছে, তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *