👁 192 Views

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: শিগগির বিজ্ঞপ্তি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশ করা হতে পারে। এ লক্ষ্যে আট সদস্যের ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’ গঠন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গতকাল রোববার (৩১ আগস্ট) জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা–২০২৫ অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এবং সদস্যসচিব রাখা হয়েছে অধিদপ্তরের পরিচালককে (পলিসি ও অপারেশন)। এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রাজস্ব), উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বিদ্যালয়), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা (উপসচিব পর্যায় বা তদূর্ধ্ব) এবং সরকারি কর্ম কমিশনের একজন প্রতিনিধি।

এর আগে ২৮ আগস্ট রাতে নতুন বিধিমালা জারি করে মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, সরাসরি নিয়োগযোগ্য মোট পদের ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক হবে। বাকি ৭ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ। তবে কোটার আওতায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদ মেধার ভিত্তিতেই পূরণ করা হবে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া ও যোগ্যতা
নিয়োগ উপজেলা ও ক্ষেত্রবিশেষে থানাভিত্তিকভাবে হবে। সরাসরি নিয়োগের পাশাপাশি পদোন্নতির সুযোগও থাকবে। বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ এবং অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ৮০ শতাংশ পদ নির্ধারণ করা হয়েছে।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক (সাধারণ, সংগীত বা শারীরিক শিক্ষা) হিসেবে মৌলিক প্রশিক্ষণ ও চাকরি স্থায়ীকরণসহ কমপক্ষে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ বা সমমান গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক।

পরীক্ষার ধরন
নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজি (২৫ নম্বর করে ৫০), গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান (২০ নম্বর করে ৪০)—মোট ৯০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। পাস নম্বর হবে ৪৫। লিখিত পরীক্ষার সময়সীমা থাকবে ৯০ মিনিট। মৌখিক পরীক্ষা হবে ১০ নম্বরের, পাস নম্বর ৫।

নতুন পদ ও বয়সসীমা
নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক (সংগীত) ও সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরাসরি নিয়োগে প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৩০ বছর।

সম্ভাব্য নিয়োগ সংখ্যা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রায় ১৭ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *