
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, দাখিল অষ্টম শ্রেণি, ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণি এবং জেএস ও জেডি (ভোকেশনাল) বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আজ বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৪৬ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৭০০ জন পেয়েছে মেধাবৃত্তি এবং ৩১ হাজার ৫০০ জন পেয়েছে সাধারণ বৃত্তি।
আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় বাংলা (বিষয় কোড ১০১), ইংরেজি (১০৭), গণিত (১০৯), বিজ্ঞান (১২৭) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (১৫০) বিষয়ের ওপর।
যেভাবে ফলাফল জানা যাবে
শিক্ষার্থীরা দুটি পদ্ধতিতে ফলাফল জানতে পারবে—
১. অনলাইন পদ্ধতি:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (dpe.gov.bd) প্রবেশ করে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ লিখে সহজেই ফল দেখা যাবে।
২. এসএমএস পদ্ধতি:
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানা যাবে।
কোটা ও বণ্টন পদ্ধতি
এবার ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ধরনের বৃত্তির জন্য বোর্ডভিত্তিক কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েও পৃথকভাবে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির কোটা বরাদ্দ রয়েছে। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
পরীক্ষার সময়সূচি
২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে একযোগে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে। প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে অংশ নেয়।
প্রথম দিন বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি এবং ৩০ ডিসেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর মৃত্যুতে ৩১ ডিসেম্বর নির্ধারিত বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষা ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।