বৃহস্পতিবার, ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৭ ও ১৮ই ফেব্রæয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বতীকালীন সরকার: প্রেস সচিব

১৭ ও ১৮ই ফেব্রæয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকারের কাছে  ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বতীকালীন সরকার: প্রেস সচিব
Views

            ষ্টাফ রিপোর্টার\ আগামীকাল ১২ই ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে সব ধরনের অস্পষ্টতা দূর করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর দ্রæততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ ৩ দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭-১৮ই ফেব্রæয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।

            গত বৃহস্পতিবার (৫ই ফেব্রæয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

            সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পর দ্রæততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রæততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

            তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ দ্রæততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে ৩ দিনের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ অথবা ১৭-১৮ই ফেব্রæয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।’

            একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বতীকালীন সরকারের মেয়াদের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

            ডেপুটি প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘সরকার শুরু থেকেই নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্তর্বতীকালীন সরকার সরে যাবে।’

            ১৮০ কার্যদিবস নিয়ে চলমান আলোচনার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি জানান, এই সময়সীমাটি মূলত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত। নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘গণপরিষদ’ সদস্য হিসেবে সংস্কারসংক্রান্ত কাজগুলো করবেন। বিশেষ করে ‘জুলাই চার্টার’ ও সংশ্লিষ্ট সংস্কারের ধারা-উপধারার আইনি ভাষা নির্ধারণের জন্য এই সময়টি প্রয়োজন হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান অন্তর্বতীকালীন সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

Share This

COMMENTS