👁 286 Views

কোটা আন্দোলনে র‌্যাব-পুলিশের ৪২ জন নিহত

            ষ্টাফ রিপোর্টার\ কোটা সংস্কার থেকে শুরু করে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের সময়কার সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪২ পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন। গত রবিবার দুপুরে ঢাকার রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম।

            আন্দোলনের সময়কার সংঘর্ষে বহু পুলিশ আহত হয়েছেন জানিয়ে আইজিপি বলেন, আহতদের মধ্যে শুধু রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালেই ৫০৭ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া হামলায় গুরুতর আহত ২৭ জন পুলিশ সদস্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন আইসিইউয়ে চিকিৎসাধীন।

            আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর আহত কর্মীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, আহতদের চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না। পাশাপাশি তাঁদের পরিবারকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দেয়া ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

            আইজিপি ময়নুল ইসলাম বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে (মোকাবেলায়) সরকারের হয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে পুলিশ। এতে একদিকে যেমন পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তেমনি বহু পুলিশ সদস্য হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের ৪২ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

            পুলিশকে কাজে ফেরানো নিয়ে অন্তর্র্বতী সরকারের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা প্রাথমিকভাবে ভিআইপি সড়কে কাজ শুরু করেছেন। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড় থেকে শুরু করে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত কাজ শুরু করেছেন তাঁরা।’

            ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রাফিকে জনবলের সমস্যা নেই। তবে যে সমস্যা রয়েছে তা হলো, একটি ভীতি কাজ করছে। এটি কাটিয়ে উঠতে ছাত্রদের অনেকে কাজ করছেন।’

            রাজধানীর ভিআইপি রোডে বেশিসংখ্যক ট্রাফিক পুলিশ দেয়া হয়েছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, তাঁদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা রয়েছেন, স্কাউট ও বিএনসিসি রয়েছে। কোনো ভুল-বোঝাবুঝি যেন না হয় এ জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *