👁 410 Views

নাঙ্গলকোটে সড়ক কেটে অবৈধ গরুর হাট ভরাট

   তাজুল ইসলাম\ কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের কাদবা গ্রামের পূর্ব উত্তর পাড়া হয়ে বাঙ্গড্ডা গ্রামে যাওয়ার চলাচলের রাস্তা কেটে নিয়ে অননুমোদিত গরুর হাট ভরাটের অভিযোগ উঠেছে ওই গ্রামের হুমায়ুন কবির বজলুর বিরুদ্ধে। এছাড়া ওই সড়ক দিয়ে আইন বহির্ভূত ভাবে কৃষি জমির উপরের মাটি ভেক্যু মেশিন দিয়ে কেটে অবৈধ ট্রাক্ট্ররে বহন করার ফলে সড়কটির দেড় কিলোমিটার জুড়ে ২ ফুট মাটি দেবে যায়। ফলে ওই সড়কে যাতায়াতকারীদের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বজলু ওই এলাকার  প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না ভ‚ক্তভোগীরা।

            সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাদবা পূর্ব উত্তর পাড়া দিয়ে বাঙ্গড্ডা গ্রামে যাওয়ার কাঁচা সড়কটির অন্তত ২০ ফুট সড়ক কেটে নিয়ে গেছে এবং ওই মাঠ থেকে কয়েকটি কৃষি জমির উপরের অংশ ভেক্যু মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে গিয়ে ট্রাক্ট্ররে বহন করে কাদবা গ্রামের পূর্ব পাড়ার নিমুড়ি সংলগ্ন একটি বিশাল মাঠ ভরাট করছে কাদবা গ্রামের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে হুমায়ুন কবির বজলু। এর আগেও ওই মাঠটির অর্ধেক অংশ অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ভরাট করা হয়। এছাড়া ওই মাঠটিতে আগামী শুক্রবার থেকে প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে অবৈধ ভাবে গরু বাজার শুরু করবে ঘোষণা দেন হুমায়ুন কবির বজলু। গরুর হাটের উদ্বোধন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকায় মাইকিং করে দোয়ার অনুষ্ঠান আয়োজন করেন তিনি। সড়কটি কেটে নেয়ায় ও অবৈধ ট্রাক্টর চলাচল করায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে দেবে যাওয়া ওই সড়ক ব্যবহারকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

            এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির বজলু বলেন, আমাদের জমির মাটি আমরা কেটেছি। আমি কাদবা গ্রামের মনিরের সাথে চ‚ক্তির মাধ্যমে মাটি কাটা ও বহনের কাজ করেছি, রাস্তার ক্ষতি হলে এ বিষয়ে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। গরুর হাটের বিষয়টি আমাদের চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করেছি, তিনি আমাকে অনুমতি দিয়েছে।

কাদবা গ্রামের উত্তর পাড়ার রুহুল আমিন বলেন, তারা সড়কটির কাটা অংশ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ ভরাট করে দিবে বলেছে। কিন্তু এখন মাটি কাটা শেষ হওয়ার পরও তারা রাস্তার ক্ষতিগ্রস্থ অংশ ভরাট করেনি।

এ ব্যাপারে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, রাস্তার ক্ষতির বিষয়টি আমি জানিনা। কেউ অভিযোগ দিলে আমি দেখবো। গরুর হাটের বিষয়টি এলাকার স্বার্থে আমি অনুমতি দিয়েছি।

            নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি উপজেলা প্রশাসন থেকে লোক পাঠিয়েছি ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছি। উনারা দেখে এসে জানালে রাস্তা কেটে নিয়ে যাওয়া, রাস্তার ক্ষতি করা ও অবৈধভাবে গরুর হাট বসানো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *