👁 66 Views

আ.লীগ সুবিচারকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে: জামায়াতের আমির

শনিবার দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহিদ বড় ময়দানে এক কর্মী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সুবিচারকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। তারা বিচারের নামে অবিচার করেছেন। সুবিচারের মাধ্যমে কেউ যদি প্রকৃত অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে তাকে শাস্তি দিতে হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, এই তালিকা কোনো রাজনৈতিক সরকার করতে পারবে না, এই তালিকা আপনারাই করতে পারবেন।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ বলেছিলেন, এদেশে গণতন্ত্র দরকার নেই-দরকার উন্নয়নের। কিন্তু তারা উন্নয়নের নামে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করেছে, সিমেন্টের পরিবর্তে ছাই ব্যবহার করেছে। উন্নয়নের নাম বলে ২৬ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।

জামায়াত আমির বলেন, বিগত সরকার নিজেরা অপকর্ম করে জামায়াতের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছেন। যখনই কোনো স্থানে কোনো অপকর্ম হতো, তখনই জামায়াতের উপর দায় চাপানোর চেস্টা করেছে। এরা ঘুমের মধ্যেও জামায়াতে ইসলামীকে স্বপ্নে দেখেন।

দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-জামায়াতের ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মমতাজউদ্দীন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল।

এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরার সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুল হাকিম, দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আফতাব উদ্দীন মোল্লা, আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী জেলা আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার, ঠাকুরগাঁও জেলা আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, পঞ্চগড় জেলা আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রায় ২০ বছর পর দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হলো জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ। ২০০৫ সালের ৮ এপ্রিল গোর-এ শহিদ বড় ময়দানে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সময় রংপুর অঞ্চলের ৮ জেলার নেতাকর্মীরা যোগ দিয়েছিলেন। ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির তৎকালীন আমির ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল ও সমাজ কল্যাণমন্ত্রী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *