👁 194 Views

লাকসামে নানা শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

        

    নিজস্ব প্রতিনিধি\ লাকসামে নানা শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে ১৯ বছরের এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। লাকসাম থানা পুলিশ ধর্ষনের অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করে কুমিল্লা আদালতে পাঠিয়েছে।

            পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী জেলার সোনাপুর এলাকার এক তরুণী ও তার স্বামী গত বৃহস্পতিবার (১৩ই মার্চ) লাকসামে তার নানা শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসে। পদিন শুক্রবার ভোরে তারা লাকসাম বাইপাস মোড় থেকে নিজ বাড়ি ফেরার জন্য সিএনজিতে ওঠেন। সিএনজি চালক মো. মাসুদ তাদের স্বামী-স্ত্রী কিনা জানতে চেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। একপর্যায়ে কৌশলে লাকসামের গন্ডামারা এলাকায় নিয়ে যায়। অভিযুক্তরা তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে এবং পরিকল্পিতভাবে লালমাই উপজেলার মগবাড়ি এলাকায় গিয়ে স্বামীকে ফেলে রেখে তরুণীকে অপহরণ করে লাকসামের পাইকপাড়া এলাকায় সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের শ্যালক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত আলীর পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর ভিকটিমকে লাকসাম পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের তালুকদার ভিলায় অভিযুক্ত বিলকিছ আক্তার কল্পনার ভাড়া বাসায় নিয়ে সেখানেও তাকে পুনরায় ধর্ষণ করে।

            স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তার মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লাকসাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

            গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো- লাকসাম উপজেলার মনোহরপুর এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ আলী (২৫), পৌরসভার শ্রীপুর মধ্যপাড়ার মো. মমিনের ছেলে মো. মাসুদ (২৩), বাতাখালী এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মনির হোসেন হৃদয় (২৩), উত্তর বিনই এলাকার মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে আল আমিন (২৩) ও মধ্য লাকসাম এলাকার মৃত মোস্তাফিজ মজুমদারের স্ত্রী বিলকিছ আক্তার কল্পনা (৪০)।

            লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, ‘ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রæত তদন্ত শুরু করা হয়। পুলিশ দিনভর অভিযান চালিয়ে ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *