👁 305 Views

আমেরিকায় যাওয়া ৮০% ভাগ আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন প্রত্যাখ্যান

            ষ্টাফ রিপোর্টার\ অবৈধভাবে আমেরিকায় অবস্থানকারী প্রায় ৮০ শতাংশ আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। তদুপরি, তাদেরকে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

            হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফর কমিউনিকেশন লুইস মিরান্ডা গনমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। মিরান্ডা সম্প্রতি এক ভিডিও সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘গত তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্রে আসা বেশিরভাগ আশ্রয়প্রার্থীকে নির্বাসিত ও বহিষ্কার কিংবা মেক্সিকোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, যাদের তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো যাচ্ছে না- তাদের অপসারণের প্রক্রিয়ায় কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

আশ্রয়-প্রার্থীদের আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেয়া হয়। তবে তারা কাজের অনুমতি পাচ্ছেন না।

            মিরান্ডা আরও বলেন,  যারা নির্যাতিত, দুর্বল জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত, যৌন নিপীড়ন এবং ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্য বৈষম্যের শিকার আশ্রয়ী- তাদের জন্য ভিন্ন চিন্তাধারা চলছে। তবে তিনি বলেন, ‘এটি সরাসরি নিপীড়ন হতে হবে। অর্থনৈতিক কারণে বা সাধারণ সহিংসতার কারণে যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বা ভ্রমণ করছেন তাদের জন্য আশ্রয় নেই। অ্যাসাইলাম আদালত দ্বারা নির্ধারিত হয় এবং এটি মামলার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।’

            মিরান্ডা বলেন, যদিও ওয়ার্ক পারমিট মঞ্জুর করা হয় না, তবে যাদের মামলা আদালতে চলছে তারা এর জন্য অনুরোধ করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘কিন্তু তারা কোনো সরকারি সাহায্য পায় না। সিবিপি ওয়ান অ্যাপটি প্রাথমিক সাক্ষাৎকার এবং স্ক্রীনিংয়ের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট সেট আপ করার উপায় হিসেবে কাজ করা চালিয়ে যাবে।’ এই অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো অভিবাসীদের তাদের আশ্রয় দাবি শুরু করতে এন্ট্রি পোর্টে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়। তারা যদি প্রমাণ করতে পারে যে একটি বিশ্বাসযোগ্য মামলা রয়েছে, তবে তাদের সীমান্তের উত্তরে থাকার অনুমতি এবং আইনি মামলা শুরু করার জন্য আদালতের তারিখ দেয়া হয়। মিরান্ডা জানান, একজন বিচারক আশ্রয় মঞ্জুর না করলে বেআইনিভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে আসা ব্যক্তিরা কাজের পারমিটের জন্য যোগ্য হবে না এবং সরকারি সহায়তা বা জন-সহায়তা কর্মসূচিতে অ্যাক্সেস ৮০% আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। জবভ: ঃযরশধহধ

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *