
পাকিস্তানের করাচি শহরের মাই কোলাচি সড়কে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে।
শনিবার তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সমন্বিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় রোববার সকালে করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন।
বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট ভবনে প্রবেশের চেষ্টা চালান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আল জাজিরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কনস্যুলেট ভবনের জানালা ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ ও কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানভিত্তিক অ্যাম্বুলেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইধি ফাউন্ডেশন। এ তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির দৈনিক ডন।
প্রথমদিকে করাচির সিভিল হাসপাতাল সূত্রে ছয়জনের মরদেহ নেওয়ার কথা জানানো হলেও পরে ডনের প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ৯ জনে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করা হয়। নিহতদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সংঘর্ষে অন্তত দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, “কাউকেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।” একই সঙ্গে কূটনৈতিক স্থাপনাসহ সব সংবেদনশীল স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে খামেনি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ইসলামাবাদ ও লাহোর শহরেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।