👁 253 Views

কুমিল্লা থেকে অপহৃত শিশুকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যা ঃ র‌্যাবের হাতে ৩ আসামী গ্রেফতার

            নিজস্ব প্রতিনিধি\ কুমিল্লা থেকে রিহান নামের এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ ফেলা হয় নরসিংদীর মেঘনা নদীতে। এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারনামীয় ৩ আসামিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। পরদিন শুক্রবার বেলা ১১টায় র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কোম্পানি অধিনায়ক এ কে এম মুনিরুল আলম।

            নিহত রিহান কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান মিয়ার একমাত্র ছেলে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সুজানগর গ্রামের সুজন মিয়ার ছেলে ইমরান (২৮), জগন্নাথপুর গ্রামে মৃত খালেক মিয়ার ছেলে মোস্তফা (৩২) ও রুবেল (২৫)।

            মুনিরুল আলম বলেন, রিহান (১১) স্থানীয় জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ১০ই সেপ্টেম্বর স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। অপহরণকারীরা তাকে নরসিংদীতে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে লাশ মেঘনায় ফেলে দেয়। ওইদিন রাতে নরসিংদীর রায়পুরা থানাধীন মেঘনা নদীর খাইল্লারচর এলাকায় রিহানকে পানিতে ভাসতে দেখে স্থানীয় জেলেরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ওই শিশুর ছবিসহ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার পরিবারের সদস্যরা নরসিংদী গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

            র‌্যাব-১১ সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তারদের নরসিংদীর রায়পুরা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

            শিশু রিহানের বাবা শাহজাহান মিয়া জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে তার একমাত্র ছেলে অপহরণ করে নরসিংদী এলাকায় নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ মেঘনায় ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি মামলা করতে গিয়ে নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। নরসিংদীর পুলিশ বলছে, কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে। আবার কোতোয়ালি থানার পুলিশ বলছে, নরসিংদী থানায় মামলা করতে। অবশেষে গত বুধবার নরসিংদীর রায়পুরা থানায় মামলা করা হয়। ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *