
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না এবং যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “চাঁদাবাজি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পরিচয় বা ক্ষমতা যা-ই হোক, এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, আগস্ট মাস থেকে পর্যায়ক্রমে পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। “এক ব্যাচ প্রশিক্ষণে যাবে, আরেক ব্যাচ আসবে—এভাবে নির্বাচন পর্যন্ত প্রশিক্ষণ চলবে,” বলেন তিনি।
পুলিশের এসপি ও ওসি পদে রদবদল হবে কি না—এমন প্রশ্নে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “এসপি বা ওসিদের বদলি তো নিয়মিত প্রক্রিয়া। এটি আগেও হয়েছে, ভবিষ্যতেও চলবে। যদি কোনো পরিবর্তন হয়, আপনারা (সাংবাদিকরা) তা দেখতে পাবেন।”
ব্রিফিংয়ে তিনি মাদকের বিষয়েও আলোকপাত করেন। বলেন, “আজকের বৈঠকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। মাদক এখন সমাজে গভীরভাবে প্রবেশ করেছে। এটি রুখতে আমাদের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
তিনি জানান, কক্সবাজারে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি সরেজমিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে গিয়েছিল। “আমরা যাওয়ার পর মাদক আটকের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে,” বলেন তিনি।
তবে চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা—“মাদকের বাহক ধরা পড়ছে, কিন্তু গডফাদাররা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদের ধরতেও প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।”