চৌদ্দগ্রামে জামাতের নির্বাচনী জনসভায় ডাঃ তাহের আমরা সংখ্যালঘু আর সংখ্যাগুরুতে বিশ্বাস করি না


নিজস্ব প্রতিনিধি\ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। সকলের মত প্রকাশের নির্বাচন। আমরা সংখ্যালঘু আর সংখ্যাগুরুতে বিশ্বাস করি না। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সুতরাং জামায়াত ক্ষমতা পেলে কাউকে নির্যাতন করা হবে না। এদেশের মানুষ এক নতুন বাংলাদেশ দেখবে। যেখানে কোন সন্ত্রাস থাকবে না, কোন দুর্নীতি থাকবে না। কারণ, জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন প্রমান পাইনি। আর আমাকে গ্রেফতারের পর বার বার চেষ্টা করেও কোন দুর্নীতি পায়নি। পরে দুদক স্বীকার করেছে, তথ্যগত মিসগাইডের কারনে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে জামায়াতের ৬২ জন এমপি ছিলেন, কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন প্রমান হয়নি এবং মামলা হয়নি। তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি বৃহত্তম দল ছিল। সেই বিএনপি এখনো জনপ্রিয় হতে পারেনি। আর জনপ্রিয় হয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এর প্রমান ডাকসু, জাকসু, রাকসু ও চাকসু নির্বাচন। ইউনিভার্সিটিগুলোর শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরকে বেছে নিয়েছে। আগামীর নির্বাচন হবে সত্যের পরে নির্বাচন।
তিনি গত শনিবার (১৫ই নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুনবতী ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত গুনবতী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। গুনবতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মোঃ ইউসুফ মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য ডাঃ মুঞ্জুর আহমেদ সাকির সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মু. মাহফুজুর রহমান ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্ম পরিষদ সদস্য ভিপি শাহাব উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য আইয়ুব আলী ফরায়েজী, ইউনিয়ন ব্যাংকের সাবেক এমডি সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওঃ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সৈয়দ একরামুল হক হারুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জামায়াত নেতা মেশকাত উদ্দিন সেলিম, শিবিরের কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের সাবেক অফিস সম্পাদক আবু সাঈদ মজুমদার, গুনবতী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল হাই, শ্রীপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, কনকাপৈত ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার, জগন্নাথদীঘি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, কালিকাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল আমিন, হেফাজতে ইসলাম গুনবতীর আমীর মাওঃ নিজাম উদ্দিন, গুনবতী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি আবদুর রাজ্জাক শাহীন, সনাতন ধর্মাবলম্বীর প্রতিনিধি বিপ্লব চন্দ্র দাস, গুনবতীর শহীদ সাহাব উদ্দিনের পিতা আবদুল হক, আওয়ামী লীগের হামলায় দু’চোখ হারানো শিবির কর্মী জহির উদ্দিন প্রমুখ।
জনসভায় গুনবতী ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় কয়েক হাজার জনতা উপস্থিত ছিলেন।
