👁 398 Views

লাকসামে ই-কর্মাস গ্রুপের এডমিন ‘উম্মে হাবিবা’র উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন

ষ্টাফ রিপোর্টার॥ পিঠা মানেই বাঙালিয়ানা এক ঐতিহ্য। আর এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গত ৯ই ফেব্রুয়ারি লাকসামের উদ্যোক্তারা (অনলাইন গ্রুপ-লাকসাম ই-কমার্স থেকে) ঐতিহ্যবাহী লাকসাম সরকারী পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজন করেছেন ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব। যার আয়োজনে ছিলেন, লাকসাম ই-কর্মাস গ্রুপের এডমিন উম্মে হাবিবা। উল্লেখ থাকে যে, লাকসামে এই প্রথম নারী উদ্যোক্তারা ব্যতিক্রমী এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছেন। এখানে ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের পিঠা ছিল। অনেক পিঠা ছিল নাম না জানা। এরকম পিঠা দেখে কাস্টমারগণ অনেক খুশী হয়েছেন। পিঠা উৎসবের প্রধান উদ্যোক্তা লাকসাম ই-কর্মাস গ্রুপের এডমিন উম্মে হাবিবা লাকসামবার্তা পত্রিকাকে জানান, ‘এ আয়োজনে সকাল থেকে সাড়া কম পেলেও কিন্তু বিকাল ৩টার পর থেকে মৌমাছির মত কাস্টমারের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে।’ আর পিঠা উৎসবে থাকা কাস্টমারা বলেছেন, ‘লাকসামে এসব আয়োজন বারবার করা উচিত।

ওদিকে, পিঠা উৎসবে উদ্যোক্তাদেরকে উৎসাহ করার জন্য, ইউ এস এ স্টাইল কোম্পানি এবং নূর জুয়েলার্স থেকে উদ্যোক্তাদের জন্য একটা করে ফ্রাই প্যান দেয়া হয় এবং স্বপ্নচূড়া ফাউন্ডেশন থেকে একটা করে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এগুলো পেয়ে উদ্যোক্তারা উদ্যোক্তা জীবনের প্রথম প্রাপ্তি বলে গণ্য করেন।

অনুষ্ঠানে শেষ পর্যায়ে এই পিঠা উৎসবের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে উম্মে হাবিবা জানান, লাকসাম উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট ইউনুস ভূঁইয়া এই পিঠা উৎসব করার জন্য আমাদেরকে উৎসাহ দিয়েছেন। তাই চেয়ারম্যান সাহেবের অনুপ্রেরণা আর সাপোর্টের কারণে তিনি এই আয়োজন করতে সাহস পেয়েছেন। তিনি বলেন আমরা, অন্যান্য জায়গায় পিঠা উৎসব দেখি, কিন্তু আমাদের লাকসামে এরকম আয়োজন হয় না বললেই চলে। কিন্ত এ আয়োজনে লাকসামবাসীর ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে বেশী। তারা বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে আমাদের এই পোস্টগুলো শেয়ার করেছেন এবং যার কারণে আমাদের কাস্টমারের রেস্পন্স খুবই ভালো হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল আমাদের অনলাইনে উদ্যোক্তাগুলো সবাই মিলে একটা পিঠা উৎসব করে নিজেদের মধ্যে বন্ডিং তৈরি করব। যাতে এরকম ভালো কাজ ভবিষ্যতেও লাকসামবাসীকে উপহার দিতে পারি। বলাবাহুল্য, বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারণে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এগিয়ে এসে কিছু করতে পারে- যেন এসবের একটা দৃষ্টান্ত তুলে ধরতে পারি। উম্মে হাবিবা আরও বলেছেন যে, নারীদেরকে অবজ্ঞা অবহেলা না করে ওদেরকে সাপোর্ট করলে ওরাও সমাজ এবং দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারেন। বিশেষ করে এসব আয়োজনগুলোর মধ্যে দিয়ে আমরা ঐতিহ্যবাহী লাকসামকে আরো বড় করে তুলে ধরতে পারবো।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *