সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ভোলার ১৭ গ্রামে কাল ঈদ শুক্রবার, অংশ নেবে ৬ হাজার পরিবার

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৭টি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে। এসব এলাকায় প্রায় ছয় হাজার পরিবার একদিন আগেই ঈদের আনন্দে মেতে উঠবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন গ্রামের এসব পরিবার একই সময় ঈদ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার বাড়ির আঙিনায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রথম জামাত। জীবদ্দশায় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবারের পীরের মুরিদ এবং ভোলা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত খলিফা মজনু মিয়া এখানে ঈদের জামাতে ইমামতি করতেন। তার মৃত্যুর পর এ বছর তার ছেলে রাসেদুল ইসলাম বাবু ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন।

একই দিন সকাল ৯টায় টবগী গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে ঈদের জামাত পরিচালনা করবেন মওলানা সিহাব উদ্দিন। এছাড়া পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জেলার বিভিন্ন স্থানে সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে।

জানা যায়, ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর, বোরহানউদ্দিনের টবগী ও মুলাইপত্তন, তজুমদ্দিনের শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া, লালমোহন পৌর শহর ও ফরাসগঞ্জ, এবং চরফ্যাশনের পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর, চর পাতিলা, চর কুকরী-মুকরী ও চর বাসনভাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ছয় হাজার পরিবার প্রতি বছর একদিন আগে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।

সুরেশ্বর পীরের মুরিদদের পাশাপাশি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও ভান্ডারি শরিফ পীরের অনুসারীরাও দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন।

ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাউছার জানান, যেসব গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে, সেসব এলাকায় স্থানীয় থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *