দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

            সাইফুল ইসলাম\ কুমিল্লার লাকসাম-নাঙ্গলকোট-ঢালুয়া-চিওড়া বিশ্বরোডের নাঙ্গলকোট পৌরসভার বাইপাস অংশের কোদালিয়া রেল গেটের পশ্চিমে পৌরসভার বর্জ্য জমে স্তূপ হয়ে আছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস উঠছে যানবাহনের যাত্রীসহ পথচারী ও স্থানীয়দের। ওই সড়ক পথেই চলাচল করে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীরা। বর্জ্যের দুর্গন্ধে ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকেও।

            গত ক’দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে সড়কটির দু’পাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে অবস্থা আরো খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বৃষ্টির পানিতে সড়ক ডুবে গিয়ে বর্জ্যগুলো চতুর্দিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে। এতে করে দুর্ভোগের মাত্রা আরো বেড়ে যাচ্ছে।

            জানা গেছে, গত প্রায় এক বছর থেকে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ লাকসাম-নাঙ্গলকোট-ঢালুয়া-চিওড়া বিশ্বরোডের ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল পথের আউটার সিগন্যাল সংলগ্ন অংশের ২ পাশে পৌরসভার সব বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এ সড়ক পথে ঢাকাগামী জোনাকী পরিবহন, কুমিল্লা সুপার সার্ভিসের বাসসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, মালবাহী ট্রাক, ট্রাকটর, পিকআপভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে।

            বর্জ্য ফেলার স্থানটির পশ্চিম পাশে পদ্মা হসপিটাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালও রয়েছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধে হাসপাতালে আসা রোগীসহ স্বজনদের অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।

            নাঙ্গলকোটের হাছান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আল-আমিন জানান, সড়কটি দিয়ে পার হতে গিয়ে দুর্গন্ধে পেট গুলিয়ে আসে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক শাহ আলম জানান, বর্তমানে সড়কটির দুই পাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় অটোরিকশা চালাতে গিয়ে গাড়ির চাকা ডুবে যায়। তখন সেই ময়লা পানিতে নেমে গাড়ি ঠেলে পার করতে হয়।

নাঙ্গলকোট পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ বলেন, এ ব্যাপারে পৌরসভার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সুভারভাইজারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।      নাঙ্গলকোট পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেকের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

×

শেয়ার করুন:

ডাউনলোড করুন (High Quality)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *