👁 509 Views

লাকসামের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে ময়লা-আবর্জনার কিছু নমুনা চিত্র!

            ষ্টাফ রিপোর্টার\ লাকসামের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে কয়েকটি কক্ষে ময়লা-আবর্জনার পাহাড়! স্বচোখে না দেখলে অনেকেই বিশ্বাস করতেও বিচলিত হবেন। চোখে দেখলে মনে হবে এটি কোনো হাসপাতাল নয়; সরেজমিনে গিয়ে এমন জনদুর্ভোগের চিত্রই দেখা গেল। এ যেন ময়লা আবর্জনা নোংরা ও দূর্গন্ধের ভাগাড়। ফলে সে সব রুমের পাশ দিয়ে যাতায়াতকারীরা স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা লোকজন নাক ঢেকে কেটে পড়ছেন। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে- এগুলো দেখার কেউ নেই। নামে হাসপাতাল হলেও বাস্তব অবস্থা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতেও কষ্ট হবে যে, এখানে কয়েকটি কক্ষে দীর্ঘদিন থেকে কেন বা কি কারণে এত ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে পড়ে আছে! কি কারণে এখানে নেই কোনো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার তৎপরতা। তার সঠিক জবাব মিলছেনা। উপরন্ত, এই কমপ্লেক্সে নেই তেমন সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা। ফলে যে যার মত যেখানে সেখানে ময়লার স্তুপ ফেলে রেখেছে বিভিন্ন কক্ষে। রোগীর ওয়ার্ডগুলোতেও মুত্রের দূর্গন্ধে ভরপুর। রোগীর খাবার সরবরাহের জায়গা এবং যেখানে রোগীরা খাবার রাখে- সেখানের পরিবেশও সুবিধাজনক নয়। হাসপাতালের মূল ভবন থেকে প্রবেশ করে পিছনের ভবনে যাওয়ার পথে সিঁড়ির পাশেই রুম ভর্তি ময়লা আবর্জনার পাহাড় চোখে পড়ে। অবস্থাটা চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকরই বটে! অথচ দিনকে দিন মশার উপদ্রব তদুপরি দেশব্যাপী বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা। চলতি বছরের এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ শতাধিক মানুষ।

বলা বাহুল্য, একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এহেন ময়লার স্তুপ আর এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই বাধ্য হয়েই উপজেলার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদেরকে এখানে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

            এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সম্প্রতি লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার ফয়েজুল্লাহ ফয়েজ (ভারপ্রাপ্ত রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার) জানান, হাসপাতালের এই বিল্ডিং ভেঙ্গে নতুন করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে -এর জন্য ভবন নির্মিত হবে। তারপর সব কিছুর উন্নতি সাধিত হবে। তখন এভাবে ময়লা-আবর্জনা আর জমে থাকবে না। ছবিঃ শহীদুল্লাহ ভ‚ঁইয়া

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *