
নিজস্ব প্রতিনিধি\ লাকসামে সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে আনা অবৈধ মোটরসাইকেলসহ আটক ৬ আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মোটরসাইকেল, ৬টি মোবাইল ও মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৪৯,২৫০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, কুমিল্লা জেলাসহ আশপাশের সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তির সহায়তায় মোটরসাইকেল বাংলাদেশে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, পুলিশের নিয়মিত টহলরত অবস্থায় গত শনিবার (১২ই জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জংশন লেক পাড় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সীমান্ত থেকে চোরাই পথে আনা মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর টহল টিমকে সাথে নিয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে লাকসাম উপজেলার খুন্তা হাজী বাড়ির আব্দুর রশিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম সুমন (৩০), নাঙ্গলকোট উপজেলার যোগী পুকুরিয়া গ্রামের মজিবুল হকের পুত্র মাহমুদুল হাসান নাহিদ (২৩), পেরিয়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম শাহিন (২৫), ডাঃ আবু তাহেরের ছেলে মোঃ নেছার উদ্দিন (২১), অহিদুর রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৫), উত্তর লাকসামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ তারেককে দৌড়ে পালানোর সময় গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় ১টি পালসার মোটরসাইকেল, ১টি সামস্যাং মোবাইল, নগদ ৪৯,২৫০ টাকা, একটি সুজুকি মোটরসাইকেল, ১টি রিয়েলমি মোবাইল, ১টি ইয়ামাহা এমটি ১৫, ১টি আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, ১টি ইয়ামাহা আর ওয়ান ১৫ মোটর সাইকেল, ওপ্পো মোবাইল, রেডমি মোবাইল, ১টি ইয়ামাহা আর ওয়ান ৫ মোটরসাইকেল, ১টি আইফোন ১৪ মোবাইল জব্দ করা হয়।
লাকসাম থানা সূত্রে জানা যায়, আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ৫টি আদায়যোগ্য শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে আনা মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য বর্নিত ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়েছে এবং জব্দকৃত টাকা মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের টাকা বলেও স্বীকার করে।
এ বিষয়ে লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের পর কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে।