
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২২তম বৈঠকে এ অভিনন্দন জানানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন তিনি।
সফরকালে ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঙ্গীকার, প্রত্যাশা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয় তুলে ধরা হয়।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে বলা হয়, ৮১তম সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের জন্য বিশেষ মর্যাদার। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান ও প্রত্যাশা তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রিসভা আরও উল্লেখ করে, একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ঘটনাটি বিশ্ব ইতিহাসে বিরল ও অনন্য। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘ সফরে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। পরে তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন।