অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধ জুলাই থেকে শুরু হবেঃ শিক্ষামন্ত্রী

            বাসস\  শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২২ সাল থেকে আটকে থাকা অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই বিতরণ শুরু হবে। আগামী ২ বছরের মধ্যে শিক্ষকদের সমস্ত পাওনা পরিশোধ করে এই জট দূর করা হবে।

            গত বুধবার সকালে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

            রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে এই সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ মো. আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

            শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সংকট ও সংস্কারের কথা উল্লেখ করে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২২ সাল থেকে যারা অবসরে গিয়েছেন, তারা একজনও এখন পর্যন্ত অবসর ভাতার টাকা পাননি। একজন শিক্ষক অবসর গ্রহণের পর ২৫ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকেন। বিগত সরকারের সময় এই ফান্ডের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ফলে হাজার হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তাদের শেষ জীবনে এসে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।’

            শিক্ষকদের এই ন্যায়সঙ্গত অধিকার দ্রæত ফিরিয়ে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেয়ার পরপরই এই মানবিক সংকট সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি। জুলাইয়ের বাজেটে এই খাতের জন্য অতিরিক্ত ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া এ খাতের জন্য একটি বিশেষ বন্ড পেয়েছি। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এই ভাতা বিতরণ শুরু হবে।’                                        মন্ত্রী বলেন, ‘আদালতে শুধু একটি মামলার কারণে আমরা ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারিনি। এর মধ্যে আরো ১৭ হাজার শিক্ষক অবসরে গেছেন। ৬০ হাজারেরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। বিগত সরকারগুলো কেন এই সমস্যা সমাধান করেনি? মামলার জট দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আটকে রাখা হয়েছিল।

×

শেয়ার করুন:

ডাউনলোড করুন (High Quality)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *