
মার্কিন বিমান হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর নজিরবিহীন পাল্টা আঘাত হেনেছে তেহরান। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর ‘আলী আল সালেম’ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাডার ব্যবস্থা ও ড্রোন হ্যাঙ্গার সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। ‘অপারেশন নাসর-২’ নামের এই সমন্বিত অভিযানে কুয়েতের ‘ক্যাম্প আরিফজান’ রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে হামলায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
কুয়েতের পাশাপাশি বাহরাইনের ‘শেখ ইসা’ বিমানঘাঁটি, ‘বাতেলকো’ গোয়েন্দা তথ্যকেন্দ্র এবং আল আহমাদি বন্দরে মার্কিন নৌবহরের জ্বালানি ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানি নৌবাহিনী। একই সময়ে ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলার সময় কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালী’ তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। তেহরানের অভিযোগ, গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সমঝোতা স্মারক সই হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় বারবার হামলা চালিয়ে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে আরও বড় ধরনের সংঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।