
ষ্টাফ রিপোর্টার\ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যেই গ্রামগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার (সদস্য) প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে।
গণসংযোগ, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, উঠান বৈঠক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের মাধ্যমে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন তাঁরা। সবচেয়ে বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে; পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ফ্রন্ট, সিপিবিসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও মাঠ গোছাচ্ছেন।
কুমিল্লার লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম, বরুড়া, লালমাই, কুমিল্লা সদর দক্ষিনসহ জেলার প্রায় প্রত্যেকটি ইউনিয়নে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচারনা। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গনসংযোগ, মতবিনিময়, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিভিন্নভাবে নিজেদের পক্ষে সমর্থন আদায় করছেন।
এক্ষেত্রে ভোটাররা অবশ্য আগের প্রতিশ্রæতির পরিবর্তে এলাকায় যাঁরা কাজ করেছেন এবং বিপদে-আপদে পাশে ছিলেন তাঁদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। লাকসামের ৮টি, মনোহরঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বাররা অবিরামভাবে গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তফসিল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের এমন তৎপরতায় নির্বাচনী আলোচনা জমে উঠেছে। তবে শেষ পর্যন্ত কারা প্রার্থী হবেন এবং দলীয় সমর্থন কার ভাগ্যে জুটবে, তা নির্ধারণ হবে কয়েকদিন পর। তাই প্রার্থীদের আগাম তৎপরতার পাশাপাশি দলগুলোর অভ্যন্তরীণ সমীকরণও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।