
ষ্টাফ রিপোর্টার\ চলতি বছরের এসএসসি-দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। অর্থাৎ আগের মতোই কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সরকার পরিবর্তনের পর একাদশ শ্রেণিতেও ভর্তি পরীক্ষা চালু হতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা ছিল। বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তের পর একাদশ শ্রেণির ভর্তিপদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে শেষ পর্যন্ত আগের নিয়ম বহাল রাখার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালার খসড়া ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এবার একাদশে ভর্তি প্রক্রিয়ায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না। গতবারের মত ফল বা নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তির নিয়ম রেখে আমরা নীতিমালার খসড়া করেছি। আশা করছি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দু-এক দিন আগেই এ বছরের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হবে।
আগামী ১০ই আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এর আগে ২০শে জুলাই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে। ফল প্রকাশ পিছিয়ে যাওয়ায় ভর্তি কার্যক্রমের সূচিতেও পরিবর্তন আসছে। আগে ৩০শে জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নতুন সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, আবেদন শুরু, ফল প্রকাশসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডের সূচি নির্ধারণে আমরা এখনও বসিনি। চলতি সপ্তাহেই এটি চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছি।
সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ২৬ লাখের বেশি আসন রয়েছে। অন্যদিকে, এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। ফলে এবারও একাদশ শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন খালি থাকবে।