নাঙ্গলকোটে পরকীয়ার সম্পর্ক জেনে ফেলায় খুন

            নিজস্ব প্রতিনিধি\ নাঙ্গলকোটে পরকীয়ার সম্পর্ক জেনে ফেলায় যুবক সাকিবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। প্রধান ঘাতক মফিজুল ইসলাম হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালতে এ জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। মফিজুল সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার কলাউড়া গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে। এর আগে বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আজমপুর রেলস্টেশন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ৪ঠা সেপ্টেম্বর উপজেলার দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত বাবুল মিয়ার টয়লেটের ট্যাংকি থেকে সাকিব হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতিবেশী ইব্রাহীমের ঘরের ভাড়াটিয়া মফিজুল ইসলামকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আজমপুর রেলস্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন। এর আগে হত্যাকান্ডের সহযোগী হিসাবে সাতবাড়িয়া গ্রামের সুফিয়া বেগমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যের বরাতে ওসি বলেন, সাতবাড়িয়া গ্রামের সুফিয়া বেগমের সঙ্গে ঘাতক মফিজের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সাকিব তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখে ফেলায় দু’জন মিলে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ১লা সেপ্টেম্বর রাতে প্রথমে আসামি মফিজুল লেবুর শরবতের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে সাকিবকে খাওয়ান। পরে মধ্যরাতে মফিজুল ও সুফিয়া তাকে বাড়ির বাইরে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

×

শেয়ার করুন:

ডাউনলোড করুন (High Quality)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *